মার্কেটিং কি?
কত প্রকার ও কি কি? আমরা বেশীরভাগ মানুষ মার্কেটিং নিয়ে একটা ভুল ধারণা রাখি। গতানুগতিক মার্কেটিং এর অসুবিধা এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা গুলোর তালিকা. সংক্ষেপে বলতে গেলে, কারও পোডাক্ট বা সার্ভিসটি জনপ্রিয় করার জন্য বা সেল/বিক্রয় করার জন্য আমরা যে যে পদক্ষেপগুলি নিয়ে থাকি, তাই মার্কেটিং ।
আর সেটা হচ্ছে মার্কেটিং মানেই হচ্ছে প্রসার, যত বেশী মানুষের কাছে যত বেশী পণ্য প্রসার করা যায় সেটাই হচ্ছে মার্কেটিং। মূলত মার্কেটিং তা নয়। অবশ্যই মার্কেটিং এ প্রচার এবং প্রসার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তবে আপনি ডিজিটাল বা ট্রেডিশনাল মার্কেটিং করুন, একজন মার্কেটার হিসাবে আপনার দ্বায়িত্ব হচ্ছে যথাযথ রিসার্চ, এনালাইসিস করে সঠিক মানুষের কাছে সঠিকভাবে আপনার পণ্যের প্রচার এবং প্রসার করা। আর এই কাজটা শুরু হয় মূলত কোন একটি পণ্য বাজারে বা মার্কেটে আসার পরে নয় বরং আগে থেকে। রিসার্চ করে দেখতে হয় আদো মার্কেটে পণ্যটির চাহিদা আছে কিনা, থাকলে কিরকম চাহিদা, কতজন পণ্যটা কিনতে পারে, কারা বর্তমানে একই ধরণের পণ্য দিচ্ছে, কিভাবে দিচ্ছে, মার্কেটে কিসের ঘাটতি রয়েছে যা দিয়ে আপনি আপনার কম্পটিটিটরদের পিছনে ফেলে আপনার কাস্টমারকে বোঝাতে সক্ষম হবেন যে আপনার পণ্য বা সেবাটিই হচ্ছে তাদের জন্য উপযুক্ত।
১০টি কাযর্করী ওসহজ মার্কেটিং টিপস
১। আপনার কার্ড বা ব্রাউচার বিভিন্ন কফি শপ, রেস্টুরেন্ট, বইয়ের দোকান, ব্যবসায়ী, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, ক্লাব ইত্যাদিতে সরবরাহ করুন। এই কাজের জন্য ১ বা ২ জন কর্মচারী নিয়োগ করতে পারেন।
২। যেকোন মেলা, অফার বা কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করুন, যাতে লোকজন আকৃষ্ট হয়। বিশিষ্ট লোকদের (আপনার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত) দাওয়াত দিন।
৩। নেটওয়ার্কিং করুন। সুযোগ পেলেই আপনার কাজে দেবে এরকম ট্রেনিং, মিটিং বা প্রেসে অংশগ্রহন করুন। মেলা পরিদর্শন করুন। ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলুন, সখ্যতা গড়ে তুলুন।
অনলাইনে Online কোন কাজের কী যোগ্যতার প্রয়োজন।
৪। আপনার বিক্রয় বার্তা, কোম্পানীর নাম সব জায়গায় ছড়িয়ে দিন। হতে পারে লোগো, গাড়ি, শার্ট, ট্যাগ, বিল্ডিং, ইনভয়েস, খাম, রিসিপ্ট ইত্যাদি।
৫। সেবা বা পন্যের ট্রেডিং প্রোমেশনের জন্য অন্য সব ব্যবসায়ীদের আহবান করুন, পরিচিত হোন। আপনার পন্যের সাথে মার্কেটিং এ্যাডভার্টাইজিং, প্রোমেশন, অফার, প্রিন্ট, চিন্হ, পন্য বা সেবা বিনামূল্যে অফার করুন।
৬। আপনার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত অন্য সব ব্যবসায়ীদের নিকট আপনার ব্যবসা পরিচিত করে তুলুন। এক্ষেত্রে পত্রিকা, চিঠি, মেইল বা সরাসরি কথা বলা যায়।
৭। আপনার ওয়েবসাইট সকল স্থানীয় ডাইরেক্টরীতে লিপিবদ্ধ আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
৮। আপনার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত এরকম সকল ওয়েবসাইটকে আপনি লিংক বিনিময়ের অফার করুন। সুনির্দিষ্ট ও কাজের ভিজিটর পেতে এটা খুব ভালো।
৯। প্রত্যেকের সাথে বারংবার আলাপ করুন, কিভাবে এক সাথে ব্যবসা পরিচালনা বা ব্যবসা উন্নয়ণ করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করুন। একে অন্যের সাহায্য নিন।
১০। সবসময় নিজের মনের মত মার্কেটিং বা এ্যাডভার্টাইজিং করবেন না। নিজের ভাবুন একজন ক্রেতা হিসেবে। ক্রেতা হিসেবে আপনি কি কি সুবিধা পেতে চান এ ব্যাপারে চিন্তা করে বিজ্ঞাপন দিন।
0 Comments